অভিশাপ একটি মহাপাপ | আপনি নিজেই নিজেকে অভিশাপ দিচ্ছেন না তো?

অভিশাপ একটি মহাপাপ!
অভিশাপ একটি মহাপাপ!

হুটহাট অভিশাপ, বদদোয়া দিতে অনেকেই দেরী করেনা! আর মেয়েরা তো এ ব্যাপারে একধাপ এগিয়ে! কিন্তু অভিশাপের পরিণতি বা পরিণাম কতো ভয়বাহ হয় তা কি আমরা জানি!! যার ফলে নিজেরও ক্ষতি হতে পারে!

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন,
“বান্দা যখন কোন কিছুকে অভিশাপ করে, তখন সে অভিশাপ আকাশের দিকে উঠে যায়। কিন্তু তাকে প্রবেশ করতে না দিয়ে আকাশের দরজাসমূহকে বন্ধ করে দেওয়া হয়।

ফলে সেখান হতে তা পুনরায় পৃথিবীর দিকে নেমে আসে। কিন্তু তাকে আসতে না দিয়ে পৃথিবীর দরজাসমূহকেও বন্ধ করে দেওয়া হয়। অতঃপর তা ডানে-বামে বিচরণ করতে থাকে।

পরিশেষে কোন গতিপথ না পেয়ে অভিশপ্তের দিকে ফিরে আসে।

কিন্তু (যাকে অভিশাপ করা হয়েছে সে) অভিশপ্ত (সঙ্গত কারণে) অভিশাপযোগ্য না হলে তা অভিশাপকারী ঐ বান্দার দিকে ফিরে
যায়।” (অর্থাৎ, নিজের করা অভিশাপ নিজেকেই লেগে বসে!)
[আবূ দাউদ হাদিস নং- ৪৯০৫, সিলসিলাহ সহীহাহ হাদিস নং- ১২৬৯।]

মুমিনের পরিচয় দিতে গিয়ে অন্য এক হাদীসে মহানবী সা.বলেন, মুমিন কখনো দোষারোপকারী, অভিশাপকারী, অশ্লীল ও গালিগালাজকারী হয় না। [জামে তিরমিযী হাদীস : ২০৪৩]
.
মা বাবার বদ দু’আ বা অভিশাপও নিজ সন্তানের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে! কেননা আল্লাহ কখন দুআ কবুল করেন তা কারো নির্দিষ্ট করে জানা নেই।
.
হাদীসে এসেছে, “নিজেদের বিরুদ্ধে দু’আ করো না, তোমাদের সন্তানাদির বিরুদ্ধে দু’আ করো না, এবং তোমাদের সম্পদের বিরুদ্ধে দু’আ করো না; কেননা এই আশঙ্কা হতে পারে যে এটা এমন এক সময়ের সাথে মিলে যেতে পারে যখন আল্লাহর কাছে কোন কিছু চাওয়া হয় আর তিনি তা কবুল করে নেন।” [মুসলিমঃ ৩০০৯]

আল্লাহ্‌ তায়ালা আমাদেরকে সঠিক বুঝ দান করুন!