আশুরা দিবসের ফজিলত ও তাৎপর্য

Virtue and significance of Ashura Day
Virtue and significance of Ashura Day

হিজরী বর্ষের প্রথম মাসটি হলো মুহাররম৷যার অবিচ্ছেদ্য একটি অংশ ১০মুহাররম তথা আশুরা৷ইতিহাস ও ফজিলতের এক উজ্জ্বলতর দিবস হলো ১০ই মুহাররম৷ মুহাররমের গুরুত্ব ও ফজিলত নতুন কিছু নয় বরং আজকের মতো প্রাক ইসলাম যুগেও আশুরা দিবস ছিলো অত্যান্ত মর্যাদাপূর্ণ৷

নবী করিম সা এর বিভিন্ন হাদিস দ্বারা দিবসটির মাহাত্ম প্রস্ফুটিত হয়৷নিম্নে কিছু হাদিস বর্ণনা করা হলো,

১৷ قال ابن عباس )ما رأیتُ النبیَّ صلی اللّٰہ علیہ وسلم یَتَحَرّیٰ صیامَ یومٍ فضَّلَہ علی غیرِہ الّا ہذا الیومَ یومَ عاشوراءَ وہذا الشہرَ یعنی شہرَ رَمَضَان (بخاری شریف۱/۲۶۸، مسلم شریف۱/۳۶۰،۳۶۱)

অর্থঃ হযরত ইবনে আব্বাস রা বলেন, আমি রাসুল সা কে রমজানের রোজা ও আশুরার রোজা ব্যতীত অন্যকোন রোজাকে অধিক গুরুত্ব দিতে দেখিনি৷৷ অর্থাৎ রাসুল সা নফল রোজাসমূহের মধ্যে আশুরার রোজাকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন৷এরচে অধিক গুরুত্ব অন্য কোন নফল রোজাকেই দিন নি৷

২৷ عن ابن عباس عن النبي ص قال،لَیْسَ لِیَوْمٍ فَضْلٌ عَلٰی یومٍ فِي الصِّیَامِ الاَّ شَہْرَ رَمَضَانَ وَیَوْمَ عَاشُوْرَاءَ․ (رواہ الطبرانی والبیہقی، الترغیب والترہیب ۲,۱۱۵)

অর্থঃহযরত ইবনে আব্বাস রা রাসুলে কারীম সা থেকে বর্ণনা করেন,কোন রোজার শ্রেষ্ঠত্ব নেই অন্য রোজার উপর,তবে রমজানের রোজা ও আশুরার রোজা একটু ভিন্ন৷অর্থাৎ অন্যান্য দিনের উপর এ দিনের শ্রেষ্ঠত্ব অনেক বেশি৷

৩৷ عن أبی قتادة رضی اللّٰہ عنہ قال قال رسولُ اللّٰہ صلی اللّٰہ علیہ وسلم: انّي أحْتَسِبُ عَلَی اللّٰہِ أنْ یُکفِّر السنةَ التي قَبْلَہ․ (مسلم شریف ۱,۳۶۷، ابن ماجہ ۱۲۵)

অর্থঃহযরত আবু কাতাদাহ রা রাসুল সাঃ এর থেকে বর্ণনা করেন৷রাসুল সাঃ এরশাদ করেন,আমি আল্লাহর দরবারে আশা রাখি যে,আশুরার রোজা পূর্ববর্তী এক বছরের গোনাহের কাফফারা(প্রায়শ্চিত্ব) হয়ে যাবে৷(ইবনে মাযার এক রেওয়ায়েতে বলা হয়েছে পরবর্তী এক বছরের গোনাহ মাফ করা হবে৷)আত তারগীব ২/১১৫,

উপরুক্ত হাদিসসমূহ দ্বারা স্পষ্ট হয়ে গেলো যে, আশুরার দিন পবিত্র ও মর্যাদাপূর্ণ৷ সুতরাং এ দিবসের যথাযথ মূল্যায়ন করা আমাদের একান্ত কর্তব্য৷ আল্লাহ তাওফিক দিন৷